
HS exam duty exemption: এসআইআর সংক্রান্ত কাজের চাপের মধ্যেই চলতি বছরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পরিচালনা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিশেষ করে পরীক্ষাকেন্দ্রের সেন্টার ইনচার্জ হিসেবে কারা দায়িত্ব নেবেন, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। অবশেষে সেই জট কাটল। প্রতিষ্ঠান সূত্রে খবর, স্কুল পরিদর্শক ও জেলা স্কুল পরিদর্শকদের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন, যাতে তাঁরা পরীক্ষা চলাকালীন সেন্টার ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে একই সঙ্গে তিন ধরনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চতুর্থ তথা চূড়ান্ত সেমেস্টার, তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি এবং পুরনো বার্ষিক পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিক – এই তিন পর্ব মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭ লক্ষ ১১ হাজার। শিক্ষক ঘাটতির সমস্যা অনেকটাই মেটানো গেলেও, এসআইআর আবহে সেন্টার ইনচার্জের দায়িত্বে সরকারি আধিকারিকদের পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছিল। কারণ, সাধারণত স্কুল পরিদর্শক ও জেলা স্কুল পরিদর্শকরাই পরীক্ষাকেন্দ্রের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, আর চলতি বছরে তাঁরাই ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে যুক্ত ছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ও নির্বাচনী কাজ একসঙ্গে কী ভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল প্রশাসনিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে পরীক্ষাকালীন সময়ের জন্য স্কুল পরিদর্শক ও জেলা স্কুল পরিদর্শকদের এসআইআর সংক্রান্ত কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিচালনায় আর কোনও প্রশাসনিক জট থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব প্রিয়দর্শিনী মল্লিক জানিয়েছেন, “আমরা ভার্চুয়ালি কনভেনার (ডিআই) এবং জয়েন্ট কনভেনারদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। পরীক্ষা চলাকালীন ২১০৩টি পরীক্ষাকেন্দ্রে ইনচার্জ সংক্রান্ত কোনও সমস্যা আর নেই। তবে তাঁরা পরীক্ষার সময়টুকুই দায়িত্ব পালন করবেন।”
এরই মধ্যে পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের খবরও সামনে এসেছে। মঙ্গলবার মাধ্যমিকের ভৌত বিজ্ঞান পরীক্ষায় মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা হলে প্রবেশ করে ধরা পড়ে দশ জন পরীক্ষার্থী। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, সকলের পরীক্ষাই বাতিল করা হয়েছে। আলিপুরদুয়ারের একটি স্কুলে চার জন পরীক্ষার্থী মোবাইল সহ ধরা পড়ে। এ ছাড়া নদিয়ায় তিন জন এবং হুগলি, পূর্ব বর্ধমান ও কোচবিহারে একজন করে পরীক্ষার্থী মোবাইল নিয়ে ধরা পড়েছে।
একই সঙ্গে অঙ্ক পরীক্ষার মতো ভৌত বিজ্ঞান পরীক্ষাতেও প্রশ্নপত্র ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। উত্তর দিনাজপুরের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে শেষ মুহূর্তে এক পরীক্ষার্থী নিজের উত্তরপত্র ছিঁড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ। ওই পরীক্ষার্থীকে আরএ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পর্ষদ।

নমস্কার বন্ধুরা, আমি সুরজিৎ, Netstudy-এর Co-Founder। সরকারি চাকরি, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিশ্বাসযোগ্য ও তথ্যভিত্তিক আপডেট শেয়ার করি।







