
CBSE New Rules 2026: ২০২৬ সাল থেকে দশম বা দ্বাদশের কোনও একটি বিষয়ে অসাধু উপায় অবলম্বন করলেই সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর সম্পূর্ণ পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এতদিন শুধু সেই বিষয়ের পরীক্ষা খারিজ করা হত।
গত ডিসেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশ করেছে বোর্ড। সেখানে পুরনো নিয়মে পরিবর্তনের কথা স্পষ্ট করা হয়েছে। আগে কোনও একটি বিষয়ে অসাধু উপায় অবলম্বনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শুধুমাত্র ওই বিষয়ের পরীক্ষাই বাতিল করা হত। পরীক্ষার্থী অতিরিক্ত বিষয়, অর্থাৎ ষষ্ঠ বা সপ্তম বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ পেত। নতুন সিদ্ধান্তে সেই সুযোগ আর থাকছে না।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরনো বিধিতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পরীক্ষার্থী অসাধু উপায় অভিযোগের পরেও উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ পেত। সেই পরিস্থিতি রোধ করতেই নিয়ম কঠোর করা হয়েছে। ২০২৬ সাল থেকে যে কোনও একটি বিষয়ে অসাধু উপায় অবলম্বন প্রমাণিত হলে পরীক্ষার্থীকে অনুত্তীর্ণ বলে গণ্য করা হবে। পরের বছর কম্পার্টমেন্ট ক্যাটাগরিতে পুনরায় চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসার সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়াও দশম শ্রেণির পরীক্ষায় বছরে দু’বার মূল্যায়নের ব্যবস্থা চালু থাকায়, মার্কশিটে উভয় পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর উল্লেখ করা হবে। পাশাপাশি চূড়ান্ত ফলাফলও স্পষ্ট ভাবে নথিভুক্ত থাকবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত তথ্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নবম ও একাদশ শ্রেণির শুরুতেই আপার আইডি তৈরি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই আইডির মাধ্যমে শিক্ষাজীবনের নথি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হবে।
স্কুলগুলির মূল্যায়ন ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতদিন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের মূল্যায়নের তথ্য বোর্ডে পাঠাত। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘স্কুল কোয়ালিটি অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাশিয়োরেন্স ফ্রেমওয়ার্ক’-এর অধীনে শিক্ষার মান, পরিচালন ব্যবস্থা, পরিকাঠামো ও পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য-সহ একাধিক সূচক খতিয়ে দেখা হবে। তার ভিত্তিতে বিদ্যালয়গুলিকে এ প্লাস থেকে সি পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রেড দেওয়া হবে।

নমস্কার বন্ধুরা, আমি সুরজিৎ, Netstudy-এর Co-Founder। সরকারি চাকরি, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিশ্বাসযোগ্য ও তথ্যভিত্তিক আপডেট শেয়ার করি।







